২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা (এলডিসি গ্রুপ) থেকে উত্তরণ ঘটবে বাংলাদেশের। এরপর বিশ্ববাণিজ্যে নানা ধরনের রেয়াতি সুযোগ-সুবিধা সংকুচিত হতে থাকবে। সে সময়ে দেশের রপ্তানি বাণিজ্য জোরদার করার ক্ষেত্রে ব্যক্তি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন ধরনের কমপ্লায়েন্স ইস্যু শক্তিশালী করতে হবে। এসব কমপ্লায়েন্স ইস্যুর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ব্যক্তি খাতের কোম্পানিগুলোর সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্টিং। ২০১৯ সালে ৪৯টি কোম্পানি স্বপ্রণোদিত হয়ে এ প্রতিবেদন তৈরি করছে। কিন্তু আগামী দিনে বিশ্ব অর্থনীতিতে টিকে থাকতে হলে আবশ্যিকভাবে এ প্রতিবেদন তৈরির বাধ্যবাধকতা অনুভূত হবে। সে জন্য এ প্রতিবেদন প্রণয়নের বিষয়টি বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি বিষয়টি দেখভালের জন্য একটি নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করা প্রয়োজন।